Who am I – I cannot say

 

Who am I – I cannot say
You see my seasons,
they change from day to day
Poet, priest, assassin, thief
My magic suspends my disbelief.
Who am I — I’m just a pack of lies
I’m a tower of cards,
I’m the yarn of a bard
I’m the jest of a fool,
a glittering jewel
I’m just a candy coated castle in the sky…
But this little self is just a day dream of an angel
It’s the shadow of a rainbow
It’s the twinkling and the inkling of a blink
Of an all seeing Eye….
Tear down your lying idols
And let your truth spring free…
Stop searching and find,
stop listening and hear,
stop looking and simply see…
Do what thou wilt!
And no other thing!
Wander alone in the crowd and sing…
And fear not the taunts of the man and his masses
cause when disaster comes knocking
it’s us fools who’ll be laughing.
Now Noah and his folks were the neighborhood joke,
‘Till the rain started falling and the levees broke…
But too late,
the profane saw the error of their ways,
At the end of their tethers at the ancient of days.
So don’t get maniac and panic, when terra turns titanic….
Just don’t stand and stare the wave as it breaks.
Do what thou wilt!
Whatever it takes!
Follow lord fortune wherever he leads
And petition your demon to tend to your needs,
Go crazy, go wild, get wasted, get wise!
Wake up from your nightmares, stop believing their lies.
Get active, get radical, get real and get magical…
Aspire to the heights and embrace all your lows,
Give in to desire…
let the flood of lust flow.
Let experience unjudged be your teacher supreme,
in the mystical marriage of the king and his queen,
for devotion delivered from lust of result,
destroys the delusions of the personal cult.
And the seed of the apple that the snake gave the dove?
That was Shakti and Shiva, united in love.
Now the fruit of the knowledge of good and ill pill.
Wasn’t the necessary evil but a bittersweet
But the fruit of the tree of eternal life
Is the salve to alleviate a mortal strife…
See the kiss of the cobra both kills and cures
And the only defense is a heart that’s pure.
It’s a drug to unhinge the temples door
And the key to the kingdom where love is the law.
The word of sin is restriction
So give in to your sacred addiction,
Get drunk on the wine of the light divine,
so bright that it blinds
And burns your mind blind!
Divorced from mistaken identification..
To all but to Love and the grace of creation.
Witness each breath with dispassionate wonder,
at once here and now in the blissful blue yonder.
Only the body is the bright of the king
And nurture the spark of desire within
Let reason and passion be your left and your right,
no more divided than day is from night,
Then united by your art, your head and your heart,
For emptiness ends when eternity starts…
Let go, and let rip, take a ride, take a trip.
Get to work, get to bed, get a life.
Get a grip.
Take leave of your senses,
your cunning pretenses,
Pick up your beds and tear down your defenses…
And retrace the course of the spring to its source…
In the time before mind, where god only knows,
In the garden of Eden,
Where the tree of life grows

The True Cost

Most of us we are always thinking, giving priority of the profit ratio.

Do we ever think about how much effort, hard work, life-blood was sacrificed from many!

Why always so many people suffer for & while a few people laugh.

Why do we need more & more while other’s doesn’t have the basic needs?

What if we all could spread the love, laugh, profit among all individual parties!

What should we do, what change should be implemented?

Could blockchain technology could help /applicable on clothing sector?

 

Logo Design Process

Mike’s Suggestions Towards

Logo Design parameter

  1. Horizontal perspective
  2. Includes Brand Name as a Text
  3. One on two colors, Words stand out
  4. Do not include TLD in text
  5. Vast majority include an image or icon
  6. Image may be integrated into the text.
  7. Image is to the left of or above the text
  8. Text Uses Sans Serif, not Serif font

Before Designing

  1. Get definition of words for logo
  2. Build a list of keywords or phrases.
  3. Identify words that match the highest and best use case
  4. Play with the design

Build a Logo with Snapba

  1. 360X200 pixels wide x all
  2. Place Word
  3. If two words, consider Pallete
  4. Search for simple Icon to place
  5. Output with a transparent background
  6. Clean up with Preview, Seashore or your favorite graphics program.

 

সমুদ্র আইন ট্রাইব্যুনালের আদ্যোপান্ত

হামবুর্গে অবস্থিত ট্রাইব্যুনালইউনাইটেট ন্যাশনস কনভেনশন অন দ্য ল’ অফ দ্য সির (আনক্লজ) অধীনে একটি স্বাধীন বিচারিক আদালত হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় দ্য ইন্টারন্যাশনাল ট্রাইব্যুনাল ফর দ্য ল’ অফ দ্য সি। উদ্দেশ্য হচ্ছে, এই কনভেনশনের ব্যাখ্যা এবং প্রয়োগ সম্পর্কিত বিরোধ মীমাংসা। একুশ জন স্বাধীন সদস্য নিয়ে ট্রাইব্যুনাল গঠিত, যারা সমুদ্র আইন বিষয়ে একাগ্রতা ও স্বচ্ছতার জন্য সুনাম অর্জন করেছেন এবং আইনি যোগ্যতার কারণে স্বীকৃত হয়েছেন।
ট্রাইব্যুনালের প্রথম বিচারক নির্বাচিত হন ১৯৯৬ সালের ১ আগস্ট। একই বছরের ১ অক্টোবর জার্মানির হামবুর্গে ট্রাইব্যুনাল কাজ শুরু করে।
সমুদ্র আইনবিষয়ক জাতিসংঘের তৃতীয় আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী রাষ্ট্রগুলো ১৯৮১ সালের ২১ আগস্ট গোপন ব্যালটের মাধ্যমে ট্রাইব্যুনালের জন্য হামবুর্গকে বেছে নেন। আন্তর্জাতিক শিপিং এবং সামুদ্রিক বাণিজ্যে সুনাম থাকার কারণে জার্মানির এই বন্দর শহরকে পছন্দ করা হয়।
ট্রাইব্যুনালের দাপ্তরিক ভাষা হচ্ছে ইংবেজি এবং ফেঞ্চ। বিচার চলাকালে পক্ষগুলো অন্যান্য ভাষাও ব্যবহার করতে পারে, তবে সে ক্ষেত্রে অন্য ভাষা ব্যবহারকারী পক্ষকে ব্যাখ্যার জন্য প্রয়োজনীয় আয়োজন অথবা যেকোনো দাপ্তরিক ভাষায় তরজমার জন্য অনুরোধ করা হয়।
একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হিসেবে ট্রাইব্যুনাল জাতিসংঘের সাথে সহযোগিতা এবং সম্পর্কের ব্যাপারে একটি চুক্তিতে উপনীত হয়েছে। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ট্রাইব্যুনালকে পর্যবেক্ষকের মর্যাদা দেয়া হয়েছে। এছাড়াও ট্রাইব্যুনালের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বেতন, ভাতা ও সুবিধাদি সংক্রান্ত জাতিসংঘের সাধারণ ব্যবস্থা অনুযায়ী পারিশ্রমিক পেয়ে থাকেন।
২০১১-১২ সেশনের জন্য ট্রাইব্যুনালের বাজেট ধার্য করা হয়েছে ২০,৩৯৮,৬০০ ইউরো।
আনক্লজের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৬২। এর মধ্যে ১৬১টি রাষ্ট্র। অন্য সদস্য একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা-ইউরোপীয়ান কমিউনিটি।

বিচারক
২১ জন বিচারকের সমন্বয়ে ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয়। সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন তারা। পক্ষরাষ্ট্রগুলো বিচারকদের মনোনয়ন দেবে এবং তাদের দুইতৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে নির্বাচন সম্পন্ন হবে। তিন বছর পর পর সদস্য রাষ্ট্রগুলো নিউইয়র্কে তাদের বৈঠকে একতৃতীয়াংশ বিচারক নির্বাচন করেন। একজন নির্বাচিত বিচারকের মেয়াদ নয় বছর। একই জাতীয়তার একাধিক বিচারক ট্রাইব্যুনালে থাকেন না। এছাড়াও ভৌগোলিক অঞ্চলগত সংখ্যা নির্ধারিত আছে। আফ্রিকা থেকে ৫, এশিয়া থেকে ৫, পূর্ব ইউরোপ থেকে ৩, ল্যাটিন আমেরিকা এবং ক্যারিবিয়ান থেকে ৪, পশ্চিম ইউরোপ এবং অন্যান্য রাষ্ট্রগুলো থেকে ৪ জন বিচারক নির্বাচন করা হয়।
নির্বাচিত বিচারকদের ভোটে আবার তিন বছর মেয়াদের জন্য সভাপতি এবং সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন।

এডহক বিচারক : বেঞ্চে বিরোধের কোনো পক্ষের যদি নিজের দেশের বিচারক না থাকে তবে সেই পক্ষ মামলাচলাকালীন সময়ে একজন ব্যক্তিকে বিচারক হিসেবে মনোনয়ন দিতে পারে। এডহক বিচারক অন্যান্য বিচারকদের সঙ্গে একই মর্যাদায় বিচারে অংশগ্রহণ করেন। ট্রাইব্যুনালের ষোলতম মামলা বাংলাদেশ-মিয়ানমার মামলায় এডহক বিচারক হিসেবে বাংলাদেশ ঘানার থমাস মেনসাহকে আর মিয়ানমার পছন্দ করেছিল সংযুক্ত আরব আমিরাতের বেমার্ড এইচ অক্সম্যানকে। এর আগে ট্রাইব্যুনালের ১২তম মামলায় বাংলাদেশের ড. কামাল হোসেনকে মালয়েশিয়া আর সংযুক্ত আরব আমিরাতের বেমার্ড এইচ অক্সম্যানকে সিঙ্গাপুর এডহক বিচারক হিসেবে পছন্দ করেছিল।

এখতিয়ার
আনক্লজের অধীনে ট্রাইব্যুনালে দাখিলকৃত সব ধরনের বিরোধ নিষ্পত্তির এখতিয়ার রয়েছে ট্রাইব্যুনালের। ট্রাইব্যুনালের সংবিধির ২১ অনুচ্ছেদ মতে, অন্য যে কোনো চুক্তির মাধ্যমে বিশেষভাবে যদি এই ট্রাইব্যুনালের ওপর এখতিয়ার আরোপ করা হয়, তবে সেসব বিষয় নিষ্পত্তি করার এখতিয়ার থাকবে ট্রাইব্যুনালের। ট্রাইব্যুনালের দুই ধরনের এখতিয়ার রয়েছে। ধারাবাহিক এখতিয়ার এবং উপদেশমূলক এখতিয়ার (এডভাইজরি জুরিসডিকশন)।
আনক্লজের যে কোনো ধরনের ব্যাখ্যা বা প্রয়োগ সংক্রান্ত বিষয় ট্রাইব্যুনাল সমাধা করতে পারে এর ধারাবাহিক এখতিয়ারের অধীনে। আর ইন্টারন্যাশনাল সিবেড অথোরিটি’র যে কোনো ধরনের কর্মকা- থেকে আইনি প্রশ্নের জন্ম হলে সেখানে ট্রাইব্যুনালের সিবেড বিরোধ সংক্রান্ত চেম্বার উপদেশমূলক এখতিয়ার প্রয়োগ করতে পারে।
সদস্য রাষ্ট্র ছাড়াও কনভেনশনের একাদশ অধ্যায়ের অধীনে অন্যান্য সত্তার জন্যও ট্রাইব্যুনালে বিরোধ নিষ্পত্তির সুযোগ রয়েছে। তবে বিরোধের সব পক্ষগুলো চুক্তির মাধ্যমে একমত হতে হবে।
মামলা
১৩ নভেম্বর ১৯৯৭ সালে ট্রাইব্যুনালে প্রথম মামলা হয়। মামলাটি ছিল সেন্ট ভিনসেন্ট অ্যান্ড দ্য গ্রানাডিনস বনাম গায়ানা। বর্তমান সময় পর্যন্ত মামলা হয়েছে ১৯টি। সর্বশেষ ১৯ নাম্বার মামলা ভার্জিনিয়া জি (পানামা বনাম গিনি বিসাউ) মামলা। আর সর্বশেষ মীমাংসিত মামলা বাংলাদেশ-মিয়ানমার।